ধুনটে বিনামূল্যে পিপিআর টিকা ও ভেটেরিনারি চিকিৎসাসেবা ক্যাম্পেইন শুরু - bhorershomoyonline.com.bd ধুনটে বিনামূল্যে পিপিআর টিকা ও ভেটেরিনারি চিকিৎসাসেবা ক্যাম্পেইন শুরু

বেকিং নিউজ

[getTicker results="10" label="random" type="ticker"]

Header Adds












ধুনটে বিনামূল্যে পিপিআর টিকা ও ভেটেরিনারি চিকিৎসাসেবা ক্যাম্পেইন শুরু


৩২ হাজার ডোজ টিকা দেওয়ার উদ্যোগ

রেহানুল হক রিকো, ধুনট (বগুড়া) প্রতিনিধি:

বগুড়ার ধুনটে ছাগল ও ভেড়ার প্রাণঘাতী পিপিআর রোগ প্রতিরোধে বিনামূল্যে টিকাদান কর্মসূচি ও ভেটেরিনারি চিকিৎসাসেবা ক্যাম্পেইন শুরু হয়েছে। প্রাণিসম্পদ রক্ষা, পশুমৃত্যুর ঝুঁকি হ্রাস এবং খামারিদের আর্থিক ক্ষতি কমানোর লক্ষ্যে এ উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

শুক্রবার (৯ অক্টোবর) বিকেল ৪টায় ধুনট পৌরসভার ৩ নম্বর ওয়ার্ডের পূর্ব ভরণশাহী গ্রামে এ কর্মসূচির উদ্বোধন করা হয়। দেশব্যাপী ১ থেকে ১৮ অক্টোবর পর্যন্ত চলমান বিশেষ কর্মসূচির অংশ হিসেবে উপজেলা প্রাণিসম্পদ দপ্তর ও ভেটেরিনারি হাসপাতাল, ধুনট এ ক্যাম্পেইনের আয়োজন করে।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে কর্মসূচির উদ্বোধন করেন মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের উপসচিব ড. মো. আব্দুস ছালাম। উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ডা. মোছা. রেহানা খাতুনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন ধুনট উপজেলার ভেটেরিনারি সার্জন ডা. মো. আব্দুল রাকিব।

অনুষ্ঠানে বক্তারা বলেন, ছাগল ও ভেড়ার পিপিআর রোগ প্রতিরোধে সময়মতো টিকা দেওয়া অত্যন্ত জরুরি। নিয়মিত টিকাদানের মাধ্যমে এ রোগের প্রাদুর্ভাব ও পশুমৃত্যুর ঝুঁকি কমানো সম্ভব। এতে খামারিদের আর্থিক ক্ষতি হ্রাসের পাশাপাশি প্রাণিসম্পদ খাতকে আরও নিরাপদ ও লাভজনক করা সম্ভব হবে।

কর্মসূচির আওতায় ৩ থেকে ১২ মাস বয়সী ছাগল ও ভেড়াকে বিনামূল্যে পিপিআর টিকা দেওয়া হচ্ছে। একই সঙ্গে খামারি ও পশুপালকদের জন্য বিনামূল্যে প্রয়োজনীয় ভেটেরিনারি চিকিৎসাসেবার ব্যবস্থা রাখা হয়েছে।

সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, ধুনট উপজেলার ১০টি ইউনিয়ন ও পৌরসভায় এ কর্মসূচির আওতায় প্রায় ৩২ হাজার ডোজ পিপিআর ভ্যাকসিন প্রয়োগের পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে। এর মাধ্যমে উপজেলার বিপুলসংখ্যক ছাগল ও ভেড়াকে টিকাদানের আওতায় আনার লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে।

কর্মসূচিতে স্থানীয় খামারি ও সাধারণ পশুপালকেরা স্বতঃস্ফূর্তভাবে অংশ নেন। সংশ্লিষ্টরা আশা করছেন, এ উদ্যোগের মাধ্যমে পিপিআর রোগ সম্পর্কে সচেতনতা বৃদ্ধি পাবে, ছাগল-ভেড়ার মৃত্যুহার কমাতে সহায়তা করবে এবং স্থানীয় খামারিরা অর্থনৈতিকভাবে উপকৃত হবেন।

ভোরের সময় অনলাইন