রফিকুল ইসলাম মাদানীর নাম-ছবি ব্যবহার করে প্রতারণা, মূলহোতা গ্রেপ্তার - bhorershomoyonline.com.bd রফিকুল ইসলাম মাদানীর নাম-ছবি ব্যবহার করে প্রতারণা, মূলহোতা গ্রেপ্তার

বেকিং নিউজ

[getTicker results="10" label="random" type="ticker"]

Header Adds












রফিকুল ইসলাম মাদানীর নাম-ছবি ব্যবহার করে প্রতারণা, মূলহোতা গ্রেপ্তার


পূর্বধলা (নেত্রকোনা) প্রতিনিধি:
আলোচিত শিশু ধর্মীয় বক্তা মো. রফিকুল ইসলাম মাদানীর নাম, ছবি ও পরিচয় ব্যবহার করে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভুয়া আইডি খুলে প্রতারণার মাধ্যমে লাখ লাখ টাকা আত্মসাৎকারী চক্রের মূলহোতা মো. নুরুজ্জামান (৩১)কে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।

সোমবার (৫ অক্টোবর) রাত সাড়ে ৩টার দিকে কিশোরগঞ্জের কটিয়াদী উপজেলার দক্ষিণ লোহাজুরী এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। কটিয়াদী মডেল থানা পুলিশের সহযোগিতায় পূর্বধলা থানা পুলিশ এ অভিযান পরিচালনা করে।

গ্রেপ্তার নুরুজ্জামান কিশোরগঞ্জের করিমগঞ্জ উপজেলার নোয়াবাদ এলাকার মো. বেলায়েত হোসেনের ছেলে।

পুলিশ জানায়, রফিকুল ইসলাম মাদানীর নাম, ছবি ও পরিচয় ব্যবহার করে দীর্ঘদিন ধরে একটি প্রতারক চক্র ফেসবুক, ইমু ও হোয়াটসঅ্যাপে ভুয়া অ্যাকাউন্ট পরিচালনা করে আসছিল। চক্রটি দেশের বিভিন্ন স্থানে ওয়াজ মাহফিলের ভুয়া তারিখ নির্ধারণ এবং বক্তব্য দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়ে ধর্মপ্রাণ মানুষের কাছ থেকে প্রায় দুই বছর ধরে লাখ লাখ টাকা হাতিয়ে নিচ্ছিল।

এ ঘটনায় রফিকুল ইসলাম মাদানী পূর্বধলা থানায় লিখিত অভিযোগ দিলে পুলিশ তদন্ত শুরু করে। তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় পরে নুরুজ্জামানের অবস্থান শনাক্ত করা হয়। এরপর কটিয়াদীর দক্ষিণ লোহাজুরী এলাকায় তার সমন্ধীর বাসা থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।

গ্রেপ্তারের সময় তার কাছ থেকে প্রতারণার কাজে ব্যবহৃত দুটি অ্যান্ড্রয়েড স্মার্টফোন ও বিভিন্ন কোম্পানির ছয়টি সিম কার্ড জব্দ করা হয়।

পুলিশের প্রাথমিক অনুসন্ধানে জানা গেছে, নুরুজ্জামান ‘হাফেজ আয়েশা জান্নাত’ নামে একটি ভুয়া ফেসবুক আইডি ব্যবহার করতেন। ওই আইডিতে রফিকুল ইসলাম মাদানীর ছবি ব্যবহার করে নিজেকে তার ‘শালিকা’ হিসেবে পরিচয় দিতেন। পরে ইমু ও হোয়াটসঅ্যাপের মাধ্যমে যোগাযোগ করে ওয়াজ মাহফিলের ফরম বিতরণ ও দিন-তারিখ চূড়ান্ত করার কথা বলে টাকা সংগ্রহ করতেন।

পূর্বধলা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আব্দুল্লাহ মামুন জানান, প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে নুরুজ্জামান প্রতারণার বিষয়টি স্বীকার করেছেন। তার বিরুদ্ধে ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন ও যৌতুক নিরোধ আইনসহ পূর্বে মোট তিনটি মামলা রয়েছে। অধিকতর জিজ্ঞাসাবাদের জন্য তাকে রিমান্ডের আবেদনসহ আদালতে পাঠানো হয়েছে।