জমি দখলের অভিযোগে প্রকাশিত সংবাদকে বিভ্রান্তিকর দাবি সেভেন রিংস সিমেন্টের উপদেষ্টার - bhorershomoyonline.com.bd জমি দখলের অভিযোগে প্রকাশিত সংবাদকে বিভ্রান্তিকর দাবি সেভেন রিংস সিমেন্টের উপদেষ্টার

বেকিং নিউজ

[getTicker results="10" label="random" type="ticker"]

Header Adds












জমি দখলের অভিযোগে প্রকাশিত সংবাদকে বিভ্রান্তিকর দাবি সেভেন রিংস সিমেন্টের উপদেষ্টার


মো. আল-মাহফুজ শাওন, খুলনা:

খুলনায় সেভেন রিংস সিমেন্ট কোম্পানির বিরুদ্ধে জোরপূর্বক জমি দখলের অভিযোগে প্রকাশিত সংবাদকে ভুল ও বিভ্রান্তিকর দাবি করেছেন প্রতিষ্ঠানটির উপদেষ্টা মো. এরশাদ আলী আজাদ। তাঁর দাবি, সংশ্লিষ্ট জমি বৈধভাবে ক্রয় করে প্রয়োজনীয় কাগজপত্রের ভিত্তিতে ভোগদখল করছে কোম্পানি।

মো. এরশাদ আলী আজাদ জানান, জমিটি প্রকৃত মালিকদের কাছ থেকে ক্রয়ের পর নামজারি সম্পন্ন করা হয়েছে এবং নিয়মিত ভূমি উন্নয়ন কর পরিশোধ করা হয়েছে। সম্প্রতি জমিতে ঘেরাবেড়া দিতে গেলে রফিকুল ইসলাম আকনসহ কয়েকজন বাধা দেন। তাঁরা জমিটির মালিকানা দাবি করলে বিষয়টি লবণচরা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তাকে (ওসি) অবহিত করা হয়।

তিনি বলেন, পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে উভয় পক্ষকে জমির মালিকানা-সংক্রান্ত কাগজপত্র নিয়ে উপস্থিত হতে বলে। তবে তাঁর দাবি, রফিকুল ইসলাম আকনের পক্ষ থেকে এখন পর্যন্ত প্রয়োজনীয় কাগজপত্র উপস্থাপন করা হয়নি।

কোম্পানির এই উপদেষ্টা আরও জানান, জমি নিয়ে অভিযোগকারী পক্ষ থানায় অভিযোগ করার পর বিষয়টি আলোচনার মাধ্যমে সমাধানের উদ্যোগ নেওয়া হয়। এ জন্য কোম্পানির পক্ষ থেকে তাঁদের আমন্ত্রণ জানানো হয়েছিল। পাশাপাশি সংশ্লিষ্ট সহকারী কমিশনারের (ভূমি) কার্যালয়ে বিষয়টি নিয়ে আলোচনার উদ্যোগ নেওয়া হলেও অভিযোগকারী পক্ষ এতে আগ্রহ দেখায়নি বলে দাবি করেন তিনি।

এরশাদ আলী আজাদের ভাষ্য অনুযায়ী, কোম্পানির পাশের গোড়াখাল পাড় এলাকার জমির মালিকানা দাবি করে প্রতিপক্ষ খুলনা সদর সহকারী কমিশনারের (ভূমি) কার্যালয়ে নামজারির আবেদন করেন। আবেদন নম্বর ৫৮৫৬ (২০২৫-২৬)। তাঁর দাবি, সংশ্লিষ্ট কাগজপত্র যাচাই-বাছাই শেষে গত ২৯ সেপ্টেম্বর খুলনা সদর সহকারী কমিশনার (ভূমি) মো. ইসতিয়াক আহমেদ আবেদনটি নামঞ্জুর করেন।

জমি-সংক্রান্ত বিরোধের বিষয়ে সংবাদ প্রকাশের ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট সরকারি নথিপত্র যাচাই এবং উভয় পক্ষের বক্তব্য নেওয়ার ওপর গুরুত্বারোপ করেন এরশাদ আলী আজাদ। তাঁর মতে, যথাযথ যাচাই ছাড়া সংবাদ প্রকাশিত হলে জনমনে বিভ্রান্তি তৈরি হতে পারে।

তবে জমিটির প্রকৃত মালিকানা নির্ধারণে সংশ্লিষ্ট দলিল, নামজারি ও ভূমি কার্যালয়ের নথিপত্র যাচাই করা প্রয়োজন। একই সঙ্গে বিরোধের অন্য পক্ষের বক্তব্য পাওয়া গেলে বিষয়টি আরও স্পষ্ট হবে।