গল্লামারি-বটিয়াঘাটা সড়ক দখলে জনদুর্ভোগ, বাড়ছে দুর্ঘটনার শঙ্কা - bhorershomoyonline.com.bd গল্লামারি-বটিয়াঘাটা সড়ক দখলে জনদুর্ভোগ, বাড়ছে দুর্ঘটনার শঙ্কা

বেকিং নিউজ

[getTicker results="10" label="random" type="ticker"]

Header Adds












গল্লামারি-বটিয়াঘাটা সড়ক দখলে জনদুর্ভোগ, বাড়ছে দুর্ঘটনার শঙ্কা


মো: আল-মাহফুজ শাওন, খুলনা

খুলনার গুরুত্বপূর্ণ গল্লামারি-মোহাম্মদনগর-বটিয়াঘাটা সড়কের বিভিন্ন অংশ দখল ও সড়কের জায়গা ব্যবসায়িক কাজে ব্যবহারের অভিযোগ উঠেছে। এতে সড়কটি দিন দিন সংকুচিত হয়ে পড়ায় চরম দুর্ভোগে পড়ছেন পথচারী ও যানবাহনের চালকরা। পাশাপাশি বাড়ছে যানজট ও দুর্ঘটনার ঝুঁকি।

খুলনা বিশ্ববিদ্যালয় এলাকা থেকে মোহাম্মদনগর হয়ে বটিয়াঘাটার সঙ্গে যোগাযোগের অন্যতম প্রধান এই সড়কের দুই পাশে গড়ে উঠেছে বিভিন্ন ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান। স্থানীয়দের অভিযোগ, কিছু ব্যবসায়ী সড়কের জায়গা ব্যবহার করে স্টিলের ফার্নিচার, খাবারের দোকানসহ নানা ধরনের ব্যবসা পরিচালনা করছেন। দোকানের সামনে ও সড়কের পাশে পণ্যসামগ্রী রাখায় অনেক স্থানে চলাচলের জায়গা সংকুচিত হয়েছে।

স্থানীয় বাসিন্দাদের দাবি, সড়কের পাশাপাশি পানি উন্নয়ন বোর্ডসহ বিভিন্ন সরকারি সংস্থার আওতাধীন জায়গার কিছু অংশও দীর্ঘদিন ধরে দখলে রয়েছে। কোথাও কোথাও রাস্তার পাশের জায়গা পণ্য, আসবাবপত্র ও অন্যান্য সামগ্রী রাখার কাজে ব্যবহার করা হচ্ছে। ফলে পথচারীদের মূল সড়ক দিয়েই চলাচল করতে হচ্ছে।

গল্লামারি-মোহাম্মদনগর-বটিয়াঘাটা সড়কটি খুলনা শহরের সঙ্গে বটিয়াঘাটা ও আশপাশের এলাকার গুরুত্বপূর্ণ যোগাযোগপথ। প্রতিদিন এ সড়ক দিয়ে বিপুলসংখ্যক মানুষ ও বিভিন্ন ধরনের যানবাহন চলাচল করে। জরুরি রোগী বহনকারী অ্যাম্বুলেন্সসহ বিভিন্ন জরুরি সেবার যানবাহনও এ পথ ব্যবহার করে। সড়কের জায়গা সংকুচিত হওয়ায় এসব যানবাহনের চলাচলও বাধাগ্রস্ত হচ্ছে বলে স্থানীয়রা জানান।

সরেজমিনে সড়কের বিভিন্ন অংশ ঘুরে দেখা যায়, রাস্তার দুই পাশে থাকা দোকান ও ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানের সামনে বিভিন্ন ধরনের মালামাল রাখা হয়েছে। কোথাও কোথাও ব্যবসায়িক সামগ্রী সড়কের পাশের জায়গাজুড়ে থাকায় যানবাহনকে তুলনামূলক সরু অংশ দিয়ে চলাচল করতে হচ্ছে। এতে মুখোমুখি যানবাহন চলাচলের সময় তৈরি হচ্ছে বাড়তি ঝুঁকি। একই সঙ্গে পথচারীদেরও ঝুঁকি নিয়ে সড়কে হাঁটতে হচ্ছে।

স্থানীয়দের অভিযোগ, দীর্ঘদিন ধরে এ সমস্যা থাকলেও কার্যকরভাবে দখলমুক্ত করার উদ্যোগ দেখা যায়নি। কেউ কেউ দখলমুক্ত করার কথা বললে প্রভাবশালী মহলের চাপ বা ভয়ভীতির কারণে প্রকাশ্যে কথা বলতে চান না বলেও অভিযোগ করেছেন।

স্থানীয় বাসিন্দারা গুরুত্বপূর্ণ এই সড়কটি দ্রুত দখলমুক্ত করে নিরাপদ ও স্বাভাবিক চলাচল নিশ্চিত করার দাবি জানিয়েছেন। একই সঙ্গে সরকারি জায়গা দখলের অভিযোগগুলো তদন্ত করে প্রকৃত চিত্র নির্ধারণের আহ্বান জানিয়েছেন তারা।

জনসাধারণের নিরাপদ চলাচল নিশ্চিত করতে সড়ক ও সরকারি জমির সীমানা নির্ধারণ, অবৈধ স্থাপনা ও দখল উচ্ছেদ এবং নিয়মিত তদারকির দাবি জানিয়েছেন ভুক্তভোগীরা। সংশ্লিষ্ট দপ্তর ও প্রশাসনের কার্যকর উদ্যোগের মাধ্যমে দীর্ঘদিনের এ সমস্যার স্থায়ী সমাধান চান স্থানীয়রা।