ধুনটে সড়ক ধসে বড় খাদ, এক মাস ধরে দুর্ভোগে দুই গ্রামের মানুষ। - bhorershomoyonline.com.bd ধুনটে সড়ক ধসে বড় খাদ, এক মাস ধরে দুর্ভোগে দুই গ্রামের মানুষ।

বেকিং নিউজ

[getTicker results="10" label="random" type="ticker"]

Header Adds












ধুনটে সড়ক ধসে বড় খাদ, এক মাস ধরে দুর্ভোগে দুই গ্রামের মানুষ।

২০২০ সালে নির্মিত চান্দারপাড়া-দাসপাড়া সড়কের একাংশ ধসে যান চলাচল বন্ধ; দ্রুত সংস্কারের দাবি স্থানীয়দের।

ধুনট (বগুড়া) প্রতিনিধি:
বগুড়ার ধুনট পৌরসভার ৮ নম্বর ওয়ার্ডে চান্দারপাড়া থেকে দাসপাড়া পর্যন্ত সংযোগ সড়কের একাংশ ধসে বড় খাদ সৃষ্টি হয়েছে। এতে সড়কটির ওই অংশ দিয়ে যানবাহন চলাচল বন্ধ হয়ে যাওয়ায় দুই গ্রামের মানুষের স্বাভাবিক যোগাযোগ ব্যবস্থা ব্যাহত হচ্ছে। প্রায় এক মাস ধরে এ দুর্ভোগ পোহাচ্ছেন স্থানীয় বাসিন্দারা।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ২০২০ সালে চান্দারপাড়া-দাসপাড়া সংযোগ সড়কটি নির্মাণ করা হয়। সম্প্রতি আঃ মোমিনের বাড়ি থেকে মো. চান সরকারের বাড়ির মাঝামাঝি এলাকায় মাটি সরে গিয়ে সড়কের একটি অংশ ধসে পড়ে। এতে সেখানে বড় ধরনের খাদ সৃষ্টি হয় এবং যানবাহন চলাচল বন্ধ হয়ে যায়।

সড়কটি দিয়ে প্রতিদিন স্থানীয় বাসিন্দাদের পাশাপাশি শিক্ষার্থী, ব্যবসায়ী ও সাধারণ পথচারীরা চলাচল করেন। সড়কের গুরুত্বপূর্ণ অংশ ধসে পড়ায় তাঁদের বিকল্প পথ ব্যবহার করতে হচ্ছে। এতে অতিরিক্ত সময়ের পাশাপাশি দুর্ভোগও বেড়েছে।

স্থানীয় বাসিন্দা মো. সুরুজ সরকার ও মোছা. রোজিনা জানান, প্রায় এক মাস আগে পৌরসভার কর্মকর্তারা ক্ষতিগ্রস্ত স্থানটি পরিদর্শন করেছেন। তবে এখনো সংস্কারকাজ শুরু হয়নি। দ্রুত সংস্কার না করা হলে ক্ষতিগ্রস্ত অংশ আরও বড় হয়ে যেতে পারে বলে আশঙ্কা তাঁদের।

এদিকে, ২০২০ সালে নির্মাণের কয়েক বছরের মধ্যেই সড়কের একটি অংশ ধসে পড়ায় এর স্থায়িত্ব ও নির্মাণকাজের মান নিয়েও স্থানীয়দের মধ্যে প্রশ্ন দেখা দিয়েছে। তবে এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের বক্তব্যই চূড়ান্তভাবে বিবেচ্য।

স্থানীয় ৮ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলর ফরহাদ হোসেন, স্থানীয় প্রতিনিধি মো. সাইদুল ইসলামসহ ভুক্তভোগীরা দ্রুত সড়কটি সংস্কারের দাবি জানিয়েছেন।

ধুনট পৌরসভার সার্ভেয়ার মাহমুদুল হাসান টুকু বলেন, “প্রায় এক মাস আগেই সড়কটির ক্ষয়ক্ষতির বিষয়টি জানতে পেরে সরেজমিনে পরিদর্শন করা হয়েছে। পুনর্নির্মাণের জন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।”

পৌরসভার সহকারী প্রকৌশলী জানান, ক্ষতিগ্রস্ত অংশে টেকসই সংস্কারের জন্য শিগগিরই টেন্ডার আহ্বান করা হবে। এ বিষয়ে প্রয়োজনীয় দাপ্তরিক সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। টেন্ডার প্রক্রিয়া শেষ হলে সড়ক মেরামতের কাজ শুরু হবে।

স্থানীয়দের দাবি, দ্রুত ক্ষতিগ্রস্ত অংশ সংস্কার করে সড়কটি পুনরায় চলাচলের উপযোগী করা হোক। এতে দুই গ্রামের বাসিন্দাদের দীর্ঘদিনের দুর্ভোগের অবসান হবে এবং স্বাভাবিক যোগাযোগ ব্যবস্থা ফিরে আসবে।