ইসলাম ধর্ম নিয়ে কটূক্তির অভিযোগ: শালিসে ক্ষমা চেয়ে মুচলেকা দিলেন মুক্তা রায় - bhorershomoyonline.com.bd ইসলাম ধর্ম নিয়ে কটূক্তির অভিযোগ: শালিসে ক্ষমা চেয়ে মুচলেকা দিলেন মুক্তা রায়

বেকিং নিউজ

[getTicker results="10" label="random" type="ticker"]

Header Adds












ইসলাম ধর্ম নিয়ে কটূক্তির অভিযোগ: শালিসে ক্ষমা চেয়ে মুচলেকা দিলেন মুক্তা রায়

ঠাকুরগাঁওয়ের নেকমরদে আলোচিত ঘটনায় ভবিষ্যতে ধর্মীয় কটূক্তি ও উসকানিমূলক কর্মকাণ্ড থেকে বিরত থাকার অঙ্গীকার।


ঠাকুরগাঁও প্রতিনিধি: ঠাকুরগাঁওয়ের রাণীশংকৈল উপজেলার নেকমরদ এলাকার আলোচিত মুক্তা রায়ের বিরুদ্ধে বিভিন্ন সময়ে ইসলাম ধর্ম নিয়ে আপত্তিকর মন্তব্য এবং এক মুসলিম নারীর সঙ্গে অনৈতিক সম্পর্কের অভিযোগ ওঠে। এসব অভিযোগকে কেন্দ্র করে স্থানীয়ভাবে একটি শালিসি বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। বৈঠকে মুক্তা রায় নিজের ভুল স্বীকার করে ক্ষমা চেয়েছেন এবং ভবিষ্যতে এ ধরনের কর্মকাণ্ড থেকে বিরত থাকার বিষয়ে লিখিত মুচলেকায় স্বাক্ষর করেছেন বলে সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন।

সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা যায়, মুচলেকায় মুক্তা রায় অঙ্গীকার করেন, ভবিষ্যতে ইসলাম ধর্ম, আল্লাহ এবং আল্লাহর রাসূল (সা.) সম্পর্কে অনলাইনে কিংবা অফলাইনে কোনো ধরনের কটূক্তি, আপত্তিকর মন্তব্য বা উসকানিমূলক কর্মকাণ্ডে জড়াবেন না।

মুচলেকায় আরও উল্লেখ করা হয়, যারা বিষয়টি প্রকাশ করেছেন কিংবা ঘটনা নিরসনের উদ্যোগ নিয়েছেন, তাদের কাউকে কোনো ধরনের প্রাণনাশের হুমকি দেওয়া যাবে না। এ ধরনের কোনো অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা ঘটলে তার দায় সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিকেই নিতে হবে বলেও এতে উল্লেখ করা হয়।

এ ছাড়া ভবিষ্যতে কোনো মুসলিম নারীর সঙ্গে অসামাজিক কর্মকাণ্ড বা অনৈতিক সম্পর্কে না জড়ানোর অঙ্গীকার করা হয়েছে মুচলেকায়।

মুচলেকায় আরও বলা হয়েছে, এসব কর্মকাণ্ডে জড়িয়ে নিজের জানমালের কোনো ক্ষয়ক্ষতি হলে তার দায় সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিকেই বহন করতে হবে। কোনো মুসলিম জনগোষ্ঠী, বিশেষ করে হেফাজতে ইসলাম বাংলাদেশ, এ ধরনের কোনো ঘটনার দায়ভার নেবে না বলেও মুচলেকায় উল্লেখ করা হয়েছে।

শালিসি বৈঠকে হেফাজতে ইসলাম বাংলাদেশের ঠাকুরগাঁও জেলা শাখার বিভিন্ন উপজেলা পর্যায়ের নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন বলে জানা গেছে। উপস্থিতদের মধ্যে ছিলেন হেফাজতে ইসলাম বাংলাদেশের ঠাকুরগাঁও জেলা শাখার সহ-সভাপতি ও রাণীশংকৈল উপজেলা শাখার সভাপতি মাওলানা সামসুদ্দিন, জেলা শাখার সাধারণ সম্পাদক মুফতি শরিফুল ইসলাম, পীরগঞ্জ উপজেলা শাখার সভাপতি মুফতি তমিজ উদ্দিন এবং রাণীশংকৈল উপজেলা শাখার সাধারণ সম্পাদক মাওলানা রাজেকুল ইসলাম রাজুসহ বিভিন্ন উপজেলার নেতৃবৃন্দ।

এ সময় বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) রাণীশংকৈল উপজেলা শাখার যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আমির আহমেদ বাবু, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর ঠাকুরগাঁও জেলা শাখার যুব বিভাগের সভাপতি শাহ জালাল জুয়েল, স্থানীয় সমাজসেবক আলহাজ্ব আনিসুর রহমান এবং রাণীশংকৈল থানার পুলিশ সদস্যরাও উপস্থিত ছিলেন বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে।

শালিসি বৈঠকে মুক্তা রায় নিজের ভুল স্বীকার করে উপস্থিতদের কাছে ক্ষমা চান। পরে ভবিষ্যতে এ ধরনের কর্মকাণ্ডে জড়িত না হওয়ার বিষয়ে লিখিত মুচলেকায় স্বাক্ষর করেন বলে সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন।