ঘটনা ধামাচাপা দেওয়ার অভিযোগ স্বজনদের, পরিবহন কর্তৃপক্ষের বিরুদ্ধে ক্ষোভ
স্বজনদের ভাষ্য অনুযায়ী, গত শুক্রবার দুপুর ১২টার দিকে ঢাকা থেকে আসা সোহাগ পরিবহনের একটি বাস কাটাখালী হাইওয়ে এলাকায় তাদের ধাক্কা দেয়। এতে বাবা ও ছেলে গুরুতর আহত হন। পরে তাদের মৃত্যু হয় বলে পরিবারের পক্ষ থেকে দাবি করা হয়েছে।
এ ঘটনায় ইয়াসিন শেখ গুরুতর আহত হয়ে বর্তমানে আইসিইউতে চিকিৎসাধীন রয়েছেন। তবে তার চিকিৎসা ও খোঁজখবর নিতে পরিবহন কর্তৃপক্ষের পক্ষ থেকে এখনো যথাযথ উদ্যোগ নেওয়া হয়নি বলে অভিযোগ করেছেন স্বজনরা।
এদিকে নিহত বাবা-ছেলের মরদেহ দ্রুত দাফন সম্পন্ন করে ঘটনাটি আড়াল করার চেষ্টা করা হচ্ছে বলেও অভিযোগ করেছেন তারা। তবে এসব অভিযোগের বিষয়ে পরিবহন কর্তৃপক্ষের কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি।
ঘটনার প্রতিবাদে বুধবার দুপুরে ক্ষুব্ধ ভুক্তভোগী স্বজনরা সংশ্লিষ্ট পরিবহনের কাউন্টারে তালা লাগিয়ে দেন। পরে কয়েক ঘণ্টার মধ্যে পরিবহন কর্তৃপক্ষ কাউন্টারের তালা খুলে দেয় বলে জানা গেছে।
স্বজনদের দাবি, দুর্ঘটনার পর থেকে তারা পরিবহন কর্তৃপক্ষের কাছ থেকে প্রত্যাশিত সহযোগিতা পাননি। বিষয়টি নিয়ে পরিবহন কর্তৃপক্ষের সঙ্গে কথা বলতে চাইলে তারা বিস্তারিত কোনো বক্তব্য দিতে রাজি হননি বলেও স্বজনরা জানিয়েছেন।
তবে দুর্ঘটনার প্রকৃত কারণ কী, এ ঘটনায় কারও বিরুদ্ধে কোনো ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে কি না এবং আইসিইউতে চিকিৎসাধীন ইয়াসিন শেখের চিকিৎসার ব্যয়ভার কে বহন করবে—এসব বিষয়ে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের বক্তব্য এখনো পাওয়া যায়নি।
স্বজনরা ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত, দুর্ঘটনার জন্য দায়ীদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা, আহত ইয়াসিন শেখের চিকিৎসার দায়িত্ব গ্রহণ এবং নিহতদের পরিবারের পাশে দাঁড়ানোর দাবি জানিয়েছেন।